এতিম বিড়াল ছানার যত্ন এবং খাওয়ানোঃ How To Take Care Of A New Born Orphaned Kitten and Feeding

সদ্য জন্মানো বিড়াল মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে গেলে তাকে বাঁচানো খুবই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কাজ। তাই আশেপাশে মা থাকলে দয়া করে কোন অবস্থাতেই বাচ্চাকে মায়ের কাছ থেকে আলাদা করবেন না। যদি রাস্তায় বা অন্য কোথাও এতিম বিড়ালের বাচ্চা পড়ে থাকতে দেখেন, তাহলে একঘন্টার মত সেখানে অপেক্ষা করুন। আশপাশ খুঁজে নিশ্চিত হয়ে নিন যে মা নেই। প্রয়োজনে আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করুন। এরপর নিশ্চিত হলে তবেই তাকে বাসায় নিয়ে আসুন।

এরপর নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুনঃ

  • গরম রাখুনঃ এদের নিয়ে সবচাইতে বড় ভয় হচ্ছে এদের দ্রুত ঠান্ডা লেগে যায়, ও ঠান্ডায় ধুপ করে মারা যায়। এদের দ্রুত গরম জায়গায় রাখুন। একটা বক্স নিন। বক্সে মোটা কাপড় বিছিয়ে নিন। এতে বাচ্চাটিকে রাখুন। এরপর আরেকটা কাপড়ে ওকে ঢেকে দিন।
  • গরম পানির বোতলঃ এবার একটা প্লাস্টিকের বোতলে গরম পানি ঢালুন। এটিকে মোটা কাপড়ে পেচিয়ে নিন। তারপরে সেটাকে বাচ্চাটার পাশে রাখুন। বোতল ঠান্ডা হয়ে গেলে পানি পালটে দিন। অসহনীয় গরম যাতে আবার না হয় খেয়াল রাখবেন। এসবের পরিবর্তে হিটিং প্যাড ব্যাবহার করতে পারেন।
  • খাবারের সময়সূচিঃ দুই ঘন্টা পর পর খাওয়াতে হবে। ম্যাক্সিমাম চারঘন্টার গ্যাপ দেয়া যাবে। উল্লেখ্য, যদি ওরা ওনেক ঠান্ডা হয়ে যায়, তাহলে শরীর গরম না করে খাওয়াবেন না।
  • কি খাওয়াবেনঃ কাটাবন অনলাইন থেকে Kitten Milk Replacer  কিনুন।প্যাকেটের গায়ে থাকা নির্দেশিকা দেখে সুঁই ছাড়া সিরিঞ্জ বা কিটেন ফিডিং বোতল দিয়ে আস্তে আস্তে খাওয়ান। খাবার যেন ঠান্ডা না হয়, খুবই হালকা কুসুম গরম হলে সবচেয়ে ভালো। খাওয়ানোর ভিডিওঃ

  • খেতে না চাইলে করনীয়ঃ খেতে না চাইলে চিকন সিরিঞ্জ দিয়ে মুখের সাইড দিয়ে হালকা করে চাপ দিলে মুখ খুলবে। এরপর মুখের কিছুটা ভিতরে ঢুকিয়ে গলার কাছে এক ফোটা এক ফোটা করে ছাড়বেন।
  • খাওয়ানোর সময় ভিজে গেলে সাথে সাথে মুছে ফেলুন বা হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে নিন।

    • টয়লেট করাবেন কিভাবেঃ হিসু ম্যানুয়ালি করাতে হবে। খাওয়ানোর পর কমোডের উপরে নিয়ে যান, এরপর ভেজা তুলো দিয়ে হিসু করার ছিদ্র পরাবর চেটে দেয়ার মত করে ঘষুন, যাতে সে মনে করে তার মা চেটে দিচ্ছে। তখন হিস্যু করবে।
    •  গোছলঃ গোছল করানোর কথা ভুলেও কল্পনাও করবেন না।
    • খেয়াল রাখবেন কিটেন  ঠান্ডা ফ্লোরে যেন না আসে।
    • কোনভাবেই ভুলেও গরুর দুধ খাওয়াবেন না। গরুর দুধ এদের হজম হয় না, খাওয়ালে ডায়রিয়া নিশ্চিত।

    এভাবে একটু কষ্ট করতে হবে কয়েকটা দিন, বাট যখন বড় হবে আস্তে আস্তে দেখবেন আপনার কত ভাল লাগে।

     

    Products You May Be Interested In:

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    error: Content is protected !!